কবুতর পালনের ক্ষেত্রে সাধারণত যে পদ্ধতি গুলো রেয়েছে এদের মধ্যে খাঁচায় কবুতর পালন একটি আধুনিক ও খুবই প্রচলিত একটি পদ্ধতি।এটি প্রায় ২০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কবুতর পালকেরা ব্যবহার করে আসছে। তবে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে যে সকল বড় বড় কবুতরের খামার রয়েছে, সে সকল খামারে সাধারণত খাঁচায় পালনকৃত কবুতরের জন্য আধুনিক উন্মুক্ত পদ্ধতি ( ফ্লাইং জোন) ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কবুতরের সঠিক ব্রিডিং এর জন্য মূলত খাচায় কবুতর পালন করা হয় । খাঁচায় কবুতর পালনের অনেক সুবিধা রয়েছে পাশাপাশি কিছু অসুবিধাও বিদ্যমান। এই অসুবিধা গুলোর মধ্যে কবুতর হঠাৎ করে রেস্টে চলে যাওয়া অন্যতম। এটির সব থেকে বেশি ঘটে যে সকল খামারে কবুতরের ফ্লাইং জোন নেই সে সকল খামারে। কবুতরের ভালো ব্রিডিং এর জন্য ফ্লাইং জোন থাকা আবশ্যক।আসা করি নতুন ও পুরাতন খামারিরা বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ সহকারে বিবেচনা করবেন।
আজ আমরা আলোচনা করবো খাঁচায় পোষা ফেন্সি কবুতর ধারাবাহিক ডিম বাচ্চা করার এক পর্যায় হঠাৎ রেস্টে চলে গেলে, এই বিষয়টি থেকে পরিত্রাণের জন্য কি করা প্রয়োজন সেটি নিয়ে আলোচনা করবো।
🌺🌺🌺 কবুতর হটাৎ রেস্ট চলে গেলে সেটির সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ও পরামর্শঃ-
🌺১.কোনো ভাবেই অধৈর্য/হতাশ হওয়া চলবে না।
🌺২.জোরাটা ভেঙে দিয়ে ফিমেল/ মাদিটাকে দিনের বেশীরভাগ সময় ফ্লাইং জোনে ছেড়ে রাখা। যাতে কবুতর শারীরিক এক্সারসাইজের মাধ্যমে শরীরের কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে জমে থাকা ফ্যাট কমাতে পাড়ে। এবং নিজে নিজেই অনেক ভিটামিনের অভাব পুরন করতে পাড়বে, যেমনঃ- B1, B2,B6। যা আপনি কোনো মেডিসিন দিয়ে পূরন করতে পারবেন না।
🌺৩. কোনো ধরনের উত্তেজক মেডিসিন ব্যবহার না করার পরামর্শ রইলো। কেননা এতে কিছু সময় নিবে, তবে শারীরিক ভাবে ফিট হলে নিজ থেকেই কবুতর ডিমে চলে আসবে। সুতরাং উত্তেজক মেডিসিন ব্যবহার করে নিজের ক্ষতি নিজে ডেকে আনবেন না।
🌺৪. রেস্টে থাকাকালীন সময়ে কিছু প্রবাইটিক, জিংক ও আয়রন ব্যবহার করা ভালো।
🌺৫ একটু লক্ষ করলে বুজতে পারবেন , হাই ফ্লাই, গিরিবাজ কিংবা রেচার, কবুতরের এই সমস্যা গুলি খুবী কম হয়। যদি কখনো এমন হয় তবে তাকে রিজেক্ট হিসাবেই ধরে নেয়া যায়।
🌺৬.হাই ফ্লাই কিংবা রেসারের এই সমস্যা কেনো কম হয়,
একটাই কারন যথেচ্ছ শারীরিক এক্সারসাইজ থাকা।
🌺৭. মনে রাখবেন যে কবুতর শারীরিক ভাবে আনফিট তাকে আপনি যতো দামি মেডিসিন খাওয়ান না কোনো কাজে আসবে না। এমন কি রিকোভারি পিল, E SEll, ADE3, ই ক্যাপ এগুলি সব একসাথে গুলিয়ে খাওয়ালেও ডিমে আসবে না, যদি কবুতর শারীরিক ভাবে আনফিট থাকে।সুতরাং কবুতরকে শারীরিক ভাবে ফিট করার জন্য ২ নং বিষয় টি যথাযথ ভাবে অনুসরণ করুন। এবং এর পাশাপাশি ৪ নং বিষয়টির প্রয়োগ করতে পারেন। ইনশাআল্লাহ কবুতরটি দ্রুতই তার শারীরিক সক্ষমতা ফিরে পাবে এবং পূর্বের ন্যায় ব্রিডিং শুরু করবে।
আজ এখানেই শেষ করছি আবার দেখা হবে নতুন কোন বিষয় নিয়ে।আসা করি সাথেই থাকবেন। নতুন এবং প্রয়োজনীয় পোষ্ট গুলো পেতে আমাদের ব্লগটি Follow করুন এবং নিচের কমেন্ট বক্সে আপনার মূল্যবান মতামত দিয়ে আমাদের সংঙ্গে থাকুন। এছাড়াও কোথাও কোন ভুলহলে ক্ষমাসুন্দর দৃৃষ্টিতে দেখার অনুুরোধ রইলো।
আপনাদের ভালোবাসাই আমদের আগামীর পথ চলার পাথেয় ।
আপনাদের সকলের শারীরিক সুস্থতা ও সকলের কবুতর গুলোর সুস্থতা কমনা করে শেষ করছি। আবার দেখা হবে নতুন কোন বিষয় নিয়ে।সবাই ভালো থাকবেন।
আল্লাহ হাফেজ
জাকারিয়া হাসান এমরান
Admin
Pigeon Healthcare In BD
#pigeon #কবুতর #feralrockdove
*******Thank You *******
আজ আমরা আলোচনা করবো খাঁচায় পোষা ফেন্সি কবুতর ধারাবাহিক ডিম বাচ্চা করার এক পর্যায় হঠাৎ রেস্টে চলে গেলে, এই বিষয়টি থেকে পরিত্রাণের জন্য কি করা প্রয়োজন সেটি নিয়ে আলোচনা করবো।
🌺🌺🌺 কবুতর হটাৎ রেস্ট চলে গেলে সেটির সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ও পরামর্শঃ-
🌺১.কোনো ভাবেই অধৈর্য/হতাশ হওয়া চলবে না।
🌺২.জোরাটা ভেঙে দিয়ে ফিমেল/ মাদিটাকে দিনের বেশীরভাগ সময় ফ্লাইং জোনে ছেড়ে রাখা। যাতে কবুতর শারীরিক এক্সারসাইজের মাধ্যমে শরীরের কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে জমে থাকা ফ্যাট কমাতে পাড়ে। এবং নিজে নিজেই অনেক ভিটামিনের অভাব পুরন করতে পাড়বে, যেমনঃ- B1, B2,B6। যা আপনি কোনো মেডিসিন দিয়ে পূরন করতে পারবেন না।
🌺৩. কোনো ধরনের উত্তেজক মেডিসিন ব্যবহার না করার পরামর্শ রইলো। কেননা এতে কিছু সময় নিবে, তবে শারীরিক ভাবে ফিট হলে নিজ থেকেই কবুতর ডিমে চলে আসবে। সুতরাং উত্তেজক মেডিসিন ব্যবহার করে নিজের ক্ষতি নিজে ডেকে আনবেন না।
🌺৪. রেস্টে থাকাকালীন সময়ে কিছু প্রবাইটিক, জিংক ও আয়রন ব্যবহার করা ভালো।
🌺৫ একটু লক্ষ করলে বুজতে পারবেন , হাই ফ্লাই, গিরিবাজ কিংবা রেচার, কবুতরের এই সমস্যা গুলি খুবী কম হয়। যদি কখনো এমন হয় তবে তাকে রিজেক্ট হিসাবেই ধরে নেয়া যায়।
🌺৬.হাই ফ্লাই কিংবা রেসারের এই সমস্যা কেনো কম হয়,
একটাই কারন যথেচ্ছ শারীরিক এক্সারসাইজ থাকা।
🌺৭. মনে রাখবেন যে কবুতর শারীরিক ভাবে আনফিট তাকে আপনি যতো দামি মেডিসিন খাওয়ান না কোনো কাজে আসবে না। এমন কি রিকোভারি পিল, E SEll, ADE3, ই ক্যাপ এগুলি সব একসাথে গুলিয়ে খাওয়ালেও ডিমে আসবে না, যদি কবুতর শারীরিক ভাবে আনফিট থাকে।সুতরাং কবুতরকে শারীরিক ভাবে ফিট করার জন্য ২ নং বিষয় টি যথাযথ ভাবে অনুসরণ করুন। এবং এর পাশাপাশি ৪ নং বিষয়টির প্রয়োগ করতে পারেন। ইনশাআল্লাহ কবুতরটি দ্রুতই তার শারীরিক সক্ষমতা ফিরে পাবে এবং পূর্বের ন্যায় ব্রিডিং শুরু করবে।
আজ এখানেই শেষ করছি আবার দেখা হবে নতুন কোন বিষয় নিয়ে।আসা করি সাথেই থাকবেন। নতুন এবং প্রয়োজনীয় পোষ্ট গুলো পেতে আমাদের ব্লগটি Follow করুন এবং নিচের কমেন্ট বক্সে আপনার মূল্যবান মতামত দিয়ে আমাদের সংঙ্গে থাকুন। এছাড়াও কোথাও কোন ভুলহলে ক্ষমাসুন্দর দৃৃষ্টিতে দেখার অনুুরোধ রইলো।
আপনাদের ভালোবাসাই আমদের আগামীর পথ চলার পাথেয় ।
আপনাদের সকলের শারীরিক সুস্থতা ও সকলের কবুতর গুলোর সুস্থতা কমনা করে শেষ করছি। আবার দেখা হবে নতুন কোন বিষয় নিয়ে।সবাই ভালো থাকবেন।
আল্লাহ হাফেজ
জাকারিয়া হাসান এমরান
Admin
Pigeon Healthcare In BD
#pigeon #কবুতর #feralrockdove
*******Thank You *******
0 মন্তব্যসমূহ
Thanks for Commenting! please follow our blog and see update continue