আলোচনার বিষয়ঃ Pigeon paramyxovirus (PPMV) পিপিএমভি বা পিজন প্যারামক্সি ভাইরাস বা রানিক্ষেত কি?
এর লক্ষণ গুলো কি কি? যে সকল মাধ্যমে এটা ছরাতে পারে? প্রতিরোধ এ কি কি ব্যবস্থা নিতে হবে? আক্রান্ত হলে করনীয় কি? এর চিকিৎসা?
*** পিপিএমভি বা পিজন প্যারামক্সি ভাইরাস বা রানিক্ষেত কি?
বিশ্বের সমস্ত কবুতর পালক গনই Paramyxovirus বা PMV এর নাম শুনেছেন, এই রোগ সালমোনেলা Typhimurium দ্বারা সৃষ্ট Paratyphiod ব্যাকটেরিয়া রোগ থেকে উৎপত্তি। এটি একটি ভাইরাল রোগ. পায়রার Paramyxovirus মানুষ বা প্রাণী প্রভাবিত করে না । Pigeon paramyxovirus (PPMV) পিপিএমভি বা পিজন প্যারামক্সি ভাইরাস সাধারন পারামক্সি ভাইরাস থেকে ভিন্ন একটি স্ট্রেইন যা সাধারনতঃ শুধুমাত্র কবুতরকেই আক্রমন করে। এটি Avian paramyxovirus type 1 (PPMV1) নামেউ পরিচিত।
PMV ঘনিষ্ঠভাবে Newcasle(রানিক্ষেত) অসুখ ঘটায় যা PMV1 ভাইরাস এর সাথে সম্পর্কিত। PMV1 ভাইরাস serotypes এক দ্বারা ঘটিত হয়। তবে PMV ও PMV1/ Newcasle(রানিক্ষেত) দুটো আলাদা রোগ, যদিও অনেকে PMV(Paramyxovirus) কে PMV1(NEW CASTLE) বলে ভুল করে থাকে। ১৯৭০ সালের দিকে PMV এর ভাইরাসের আবিষ্কার হয় । বর্তমানে পৃথিবীর সব জায়গায় এই রোগ এর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এ রোগের ইনকিউবেশন কয়েকদিন থেকে শুরু করে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত লাগতে পারে।
কখনো কখনো সংক্রমণ এবং ভাইরাস স্খলন হয় এবং ভবিষ্যৎ Lofts মধ্যে একটি বড় সমস্যা হতে পারে। এই রোগের প্রথমে কোনো ক্লিনিকাল লক্ষণ দেখায় না, তাই আপনার খামারে এই সমস্যা আছে তা আপনি জানার আগেই আপনার পুরো খামার আক্রান্ত হতে পারে।
ক্লিনিক্যাল লক্ষণ প্রাথমিকভাবে দুটি অঙ্গ সিস্টেমের সাথে সম্পর্কিত হয়।
১.কিডনি ও
২.স্নায়ুতন্ত্রের।
প্রথমত- এই ভাইরাস সবসময় কিডনির স্থানে একটি প্রদাহ ঘটায়,সেখানে জলের মত ফোঁটা ফোঁটা পরিবর্তন সাদা অংশ দেখা যায় এবং পরে এটি প্রায়ই এই নেভিগেশন জল পরে সবুজ বা বাদামী "কৃমি" আকারে স্বাভাবিক উপাদান হিসাবে দেখা দিতে পারে, আর এভাবেই পুরো খামারের কবুতরের মধ্যে সংক্রমিত হয়।
দ্বিতীয় অঙ্গ সিস্টেম স্নায়বিক সিস্টেম। দুটি প্রধান লক্ষণ একটি খোরানো বা ডানা অবনমিত, অথবা Torticollis (Twisted Necks) নার্ভ পক্ষাঘাত হয়. এই রোগ আঘাত বা স্নায়বিক লক্ষণ হিসাবে খুব প্রচলিত।
PMV1 তে মৃত্যুর হার খুব কম অন্যদিকে PMV AND PPMV হলে কবুতর বাঁচানো বলতে গেলে একেবারেই অসমম্ভব।
ভাইরাসের প্রভাবঃ
১.এটি একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ যার আবির্ভাবে দ্রুতই লফটে সব কবুতর আক্রান্ত হয়ে পড়তে দেখা যায় এবং কোন কোন লফটে ৫০% থেকে ১০০% পর্যন্ত মৃত্যু হার দেখা যায়।
২. এ রোগের ইনকিউবেশন কয়েকদিন থেকে শুরু করে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত লাগতে পারে।
৩. আক্রান্ত লফটে ডিহাইড্রেশন এবং স্ট্রেস মৃত্যু হার বাড়িয়ে দেয়।
৪. ৬-১২ সপ্তাহের ভেতর স্বাভাবিক রিকভারী শুরু হয়ে যায়, তবে পূর্ন রিকভারী হতে আরো বেশী সময় লাগতে পারে।
৫. নার্ভাস লক্ষন আজীবন থেকে যেতে পারে কিংবা রিকভার করলেও স্ট্রেস কালীন সময় ফেরত আসতে পারে।
৬. রিকভারীর পরেও অনেক দিন কিংবা আজীবন কিছু কবুতরের সার্বক্ষনিক ডায়রিয়ায় আক্রান্ত থেকে যেতে পারে।
বছরের বিভিন্ন সময়ে এ আক্রমন দেখা গেলেউ নভেম্বর, ডিসেম্বর, জানুয়ারি,ফেব্রুয়ারি এই ৪মাস এই ভাইরাসের আক্রমণ ব্যাপক ভাবে লক্ষনীয়।
***Pigeon paramyxovirus (PPMV) পিপিএমভি বা পিজন প্যারামক্সি ভাইরাস বা রানিক্ষেত এর লক্ষন গুলা কি কি?
এ রোগের যে সব লক্ষন রয়েছে তা অন্য অনেক রোগকে নির্দেশ করতে পারে। একারনে প্যাথলজিকাল টেস্ট ছাড়া প্যারামক্সি ভাইরাস এর আক্রমন সনাক্ত করা খুব মুশকিল।
লক্ষণঃ
১. তরল ও সুবুজাভ আমাশামিশ্রিত মল।
২. চোখ বা মাথার কম্পন।
৩. টলটলায়মান ফ্লাইট।
৪. খাবার অথবা পানিতে ঠিক মত ঠোকর দিতে না পারা ।
৫. উল্টায়ে পড়ে যাওয়া ।
৬. ঘাড়, মাথা মোচড়ানো ।
৭. ডানা এবং/অথবা পা আংশিক প্যারালাইসিস হয়ে যাওয়া
৮. পিছনের দিকে ঊড়া ।
৯. বৃত্তের আকারে ঘুরতে থাকা ।
১০. তড়কা ।
১১. হঠাৎ ঘুম বন্ধ, মাথা সম্মুখে পড়ে যাওয়া।
১২. ওড়ার সময় অপ্রত্যাশিত ডিগবাজী, সোজা উড়তে না পারা,
১৩. প্রচুর মুত্র সম্বলিত মল (অধিকাংশ সময় সবুজ হলেও ভিন্ন রংও হহতে পারে),
১৪. বেশীরভাগ সময় প্রাথমিক পর্যায়ে পরিস্কার মুত্রের মাঝে সরু ভাঙ্গা ভাঙ্গা কঠিন মল (নুডুলসের ছোট টুকরোর মতো)
১৫. ঝিমানো: খাবারের প্রতি অনিহা, নড়াচড়ায় অনিহা।
১৬.বমি করা অথবা মাথা ঝাকিয়ে বমির চেষ্টা করা।
১৭. শ্বাস কষ্ট হওয়া বা হা করে শ্বাস নেয়া
১৮. চোখ দিয়ে পানি ঝড়া এবং/বা নাক দিয়ে পানি বের হওয়া।
***Pigeon paramyxovirus (PPMV) পিপিএমভি বা পিজন প্যারামক্সি ভাইরাস বা রানিক্ষেত যে সকল মাধ্যমে ছরাতে পারে ?
এই ভাইরাস উপযুক্ত পরিবেশে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে এবং প্রধানত পাখিদের গমনাগমনের মাধ্যমে ছড়ায়।
যে সকল মাধ্যমে ছরাতে পারেঃ
১. আক্রান্ত পাখির বিষ্ঠা।ঝড়ে পরা পালক বা যা কিছু তার দেহ নির্গত সব কিছু থেকে ভাইরাসটি ছড়াতে পারে।
২. বন্য কবুতর বা পাখি থেকে।
৩. আক্রান্ত কবুতরের সাথে কবুতরের সরাসরি কন্টাক্টে ছড়ায়।
৪. আক্রান্ত কবুতরের ডিমেও ভাইরাস ছড়াতে পারে।
৫. ট্রান্সপোর্টার (খাচা, গাড়ী, বক্স) যা ঠিক মতো ডিস ইনফেক্ট করা হয় নি।
৬. কবুতর ফেন্সিয়ার এর দেহ বা কাপড়ের মাধমে
৭.খাবার এবং খাবার পানি
৮. লফটে ব্যবহৃত আসবাব পত্রের মাধ্যমে।
***Pigeon paramyxovirus (PPMV) পিপিএমভি বা পিজন প্যারামক্সি ভাইরাস বা রানিক্ষেত এর প্রতিরোধে কি কি ব্যাবস্থা গ্রহন করা যেতে পারে ?
প্রাথমিক প্রতিরোধঃ
উড়ানোর কবুতর বা যে সব কবুতর ছেড়ে পালা হয় তারাই সব থেকে বেশী আক্রান্ত হবার ঝুকিতে থাকে। কারন খোলা আকাশে বন্য কিংম্বা অন্য লফটের আক্রান্ত কবুতরের সংস্পর্শে খুব সহযেই এ রোগ ছড়াতে পারে।
প্রাথমিক অবস্থায় আপনার যা যা করনীয়ঃ
১.আক্রান্ত কবুতর দুরে সরিয়ে ফেলুন।
২.পরিস্কার খাবার ও পানি সরবরাহ করুন।
৩.খাবার ও পানির পাত্র নিয়মিত পরিস্কার করুন।
৪.লফট নিয়মিতভাবে পরিস্কার করুন।
৫.লফট এর ব্যবহার সামগ্রী নিয়মিত পরিস্কার করুন।
৬.বহিরাগত ব্যক্তি দের লফটে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করুন।
৭. লফটে ব্যবহার এর জন্য আলাদা সেন্ডেল, হাত গল্ফ,ও ক্লিনার ব্যবহার করুন।
৮. লফটে নিয়মিত ভাইরাস প্রতিরোধক স্প্রে ব্যবহার করুন।
৯. নিয়মিত ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ক্যালসিয়াম এবং মাল্টি ভিটামিন দিন। (আক্রাত্ত কবুতর কে কোন ভিটামিন দেয়া যাবে না ভিটামিন বি ছাড়া)।
১০. Aloe Vera (গ্রিতকুমারি)নিওমিত প্রদান করা।
১২. সপ্তাহে এক দিন রসুনপানি,লেবু ও চিনির,লবন এর মিশ্রন,তুলসিপাতা খেতে দিন।
১৩.মাঝে মাঝে কালোজিরা,জাউন,মেথি খাওয়ান।
১৪. সপ্তাহে একদিন দারুচিনি গুরা খাবারের সাথে পরিবেশন করুন।
দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধে এর জন্য আপনার করনীয়ঃ
১. দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধের জন্য প্রথম পদক্ষেপ হচ্ছে লফটের সকল কবুতরকে Pigeon PMV ভ্যাক্সিন দেয়া। আমাদের দেশে শুধুমাত্র ঢাকার রেসিং ক্লাবগুলতে এই ভ্যাক্সিন পাওয়া যায় যার নাম “চেভিভেক”। সাধারনত ৪/৫ সপ্তাহের বেবীকে প্রথম ডোজ দেবার পর ৪ সপ্তাহ বিরতী দিয়ে আবার বুস্টার ডোজ দেয়া হয়। ভ্যাক্সিন একবছর ক্রিয়াশীল থাকে। পরবর্তীতে এডাল্ট কবুতরকে বছরে ১ বার ভ্যাক্সিন করানো হয়।
যদিও পিজন প্যারামক্সি ভাইরাস পোল্ট্রির ND থেকে ভীন্ন একটি স্ট্রেইন, তারপরো অনেক ভেট বিশেষজ্ঞ Pigeon PMV ভ্যাক্সিন পাওয়া না গেলে বা ব্যবস্থা করা না গেলে ND ভ্যাক্সিন ব্যবহারের পরামর্শ দেন। এ ব্যাপারে আপনার বিস্বস্ত ভেট ডাক্তারের সাথে আলোচনা করে নিন।
২. ভ্যাক্সিনেশন কোন ভাবেই বায়ো সিকিউরিটির পরিবর্তক নয়। বরং ভ্যাক্সিনেশনের পাশাপাশি উন্নত বায়োসিকিউরিটি মেইন্টেন করাই পরস্পরের পরিপুরক। তাই ভেট ডাক্তার বা অভিজ্ঞদের সাথে পরামর্শ করে আপনার লফটের জন্য একটি উন্নত বায়োসিকিউরিটি পদ্ধতি অবলম্বন করুন।
***Pigeon paramyxovirus (PPMV) পিপিএমভি বা পিজন প্যারামক্সি ভাইরাস বা রানিক্ষেত দ্বারা আক্রান্ত হলে যা যা করনীয়?
অসুস্থ কবুতর এর জন্য নাসিংঃ
১. আক্রান্ত কবুতরকে আলাদা খাচায় উষ্ণ পরিবেশে রাখতে হবে। খাচার পাটাতনে নরম কাপড় বা টাওয়েল বিছিয়ে দেয়া দরকার। গভির বাটিতে খাবার দেয়া হলে খাবার খেতে কিছুটা সুবিধা হবে, বিশেষ করে যে সব কবুতর ঠোকর দিতে সমস্যা হচ্ছে। কোন কোন ক্ষেত্রে হ্যান্ড ফীদিং জরুরী হবে। হ্যান্ড ফীডিং এর জন্য নরম খাবার উপকারী হবে। পর্যাপ্ত খাবার এবং পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। হ্যান্ড ফিডিং এর ক্ষেত্রে সব সময় উষ্ণ খাবার দিতে হবে।
২. আক্রান্ত কবুতরের কক্সিডিওসিস, ট্রাইকোমোনিয়াসিস, এস্পারজিলোসিস ইত্যাদি রোগের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। তাই স্ট্রেস, শ্যাতশ্যাতে পরিবেশ থেকে দূরে রাখতে হবে। এবং এসব রোগের লক্ষন দেখা মাত্র দ্রুত চিকিৎসা দেয়া দরকার।
৩. সাধারনত ৬ সপ্তাহে রোগ তার চক্র পূর্ন করে এবং এ সময় পরে আক্রান্ত কবুতর আর রোগ ছড়ায় না এবং অন্য কোন কবুতরকে আক্রান্ত করবে না তবে নার্ভাস লক্ষন এবং গ্যাস্ট্রো-ইন্টেস্টিনাল সমস্যা আরো লম্ব সময় পর্যন্ত থেকে যেতে পারে।
৪. ইমিউন সিস্টেম বাড়াবার জন্য মাল্টিভিটামিন দেয়া যেতে পারে
৫. ডিহাইড্রেশন রোধে ইলেক্ট্রোলাইট স্যালাইন দেয়া জরুরী
৬. খারাপ গাট ব্যক্টেরিয়া দূর করার জন্য প্রোবাইওটিক এর বব্যবহার কিছু উপকার দদিতে পারে।
বিঃদ্রঃ
অভিজ্ঞ ভেট ডাক্তার এর পরামর্শ ছাড়া যে কোন এন্টিবাইওটিক ব্যবহার না করাই ভালো হবে। কারন এন্টিবাইওটিক রোগের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।
আবশ্যিক বিষয়ঃ
১. যেহেতু এটা সংক্রামক রোগ তাই আক্রান্তকে আলাদা রাখা দরকার।
২. প্রতিদিন লফট এবং খাবার পাত্র, পানির বাটি ইত্যাদি ডিসিনফেক্ট করা দরকার।
৩. সুস্থ কবুতরের দেখাশুনার পর অসুস্থ কবুতরের পরিচর্যা করা উচিত। এতে ভাইরাস বহন কম হবার সম্ভাবনা আছে।
৪. অসুস্থ কবুতর পরিচর্যার পর হাত মুখ ভালো করে ধুয়ে ফেলা দরকার। অসুস্থ কবুতর ধরার পর হাত না ধুয়ে আপন চোখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। এই ভাইরাস সাধারনতঃ মানুষের মাঝে সংক্রমিত হয় না তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে পরিচর্যা কারী মৃদু জ্বর এবং চোখে অস্বস্থি অনুভব করতে পারেন।
৫. অসুস্থ কবুতরের দেহ নির্গত কোন কিছু যাতে না ছড়াতে পারে তার ব্যবস্থা করা, প্রয়োজনে মাটি চাপা দেয়া।
৬. কোন কবুতর মারা গেলে সেটি মাটি চাপা দেয়া।
***Pigeon paramyxovirus (PPMV) পিপিএমভি বা পিজন প্যারামক্সি ভাইরাস বা রানিক্ষেত এর চিকিৎসা কি?
বছরের পর বছর পরীক্ষায় দেখা গেছে কোন ভাইরাস এর ওপর কোন এন্টিবাইওটিকই কাজ করে না। পিজন প্যারামক্সি ভাইরাসও এর ব্যতিক্রম নয়। অর্থাৎ এ রোগে আক্রান্ত কবুতরের কার্যতঃ কোন চিকিৎসা নেই।
আক্রান্ত কবুতরকে চিকিৎসা করার থেকে নার্সিং এবং সাপোর্টিভ কেয়ার এবং কোন কোন ক্ষেত্রে সেকেন্ডারী ইনফেকশন এর চিকিৎসা জরুরী। এসময় অপ্রয়োজনী এন্টিবাইওটিক এর ব্যবহার কবুতরকে আরো দুর্বল করে দেয়। তাই সাপোর্টিভ চিকিৎসার জন্য ভেট ডাক্তার,যারা পিজন প্যারামক্সি ভাইরাস হ্যান্ডেলে দক্ষ তাদের পরামর্শ নেয়া জরুরী।
মনে রাখতে হবে যে কবুতরটি পিজন প্যারামক্সি ভাইরাসাক্রান্তের লক্ষন প্রকাশ করছে না অথচ নিয়মিত ভাইরাস ছড়াচ্ছে সেটা অন্য সব কবুতরের জন্য সবথেকে বেশী বিপদজনক। যতদিনে সে লক্ষন প্রকাশ করা শুরু করবে ততদিনে লফটে এই রোগ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা প্রবল। তাই খুব ভালো করে প্রতিদিন আপনার কবুতরগুলোকে নিরীক্ষা করুন ভয়াবহ বিপর্যয় এড়াতে।
আপনি আরও পড়তে পারেন:
কবুতরের ঠান্ডা জনিত সমস্যা চিকিৎসায় প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহার।
অসুস্থ কবুতরের চিকিৎসায় প্রতিকারের পাশাপাশি প্রতিরোধ ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব এবং পরবর্তী পদক্ষেপ।
কবুতরের ব্রিডিং বিরতি বা রেষ্ট কেন দিবেন ? ব্রিডিং বিরতি বা রেষ্ট এর প্রয়োজনিয়তা।প্রয়োজনীয় পোষ্ট পেতে আমাদের ব্লগটি Follow করুন এবং আপনার মূল্যবান মতামত দিয়ে আমাদের সংঙ্গে থাকবেন এবং কোথাও ভুলহলে ক্ষমাসুন্দর দৃৃষ্টিতে দেখার অনুুরোধ রইলো।
আপনাদের ভালোবাসাই আমদের আগামীর পথ চলার পাথেয় ।
আপনাদের সকলের শারীরিক সুস্থতা ও সকলের কবুতর গুলোর সুস্থতা কমনা করে শেষ করছি। আবার দেখা হবে নতুন কোন বিষয় নিয়ে।সবাই ভালো থাকবেন।
আল্লাহ হাফেজ
স্ট্যাডি ও তথ্য সংগ্রহঃ বিভিন্ন রিসার্চ আর্টিকেল,পিজন রিলেটেড বই,ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা,বিভিন্ন খামারি ও ভেটেরিয়ানদের পরামর্শ।
তথ্য সংগ্রহে এবং লেখকঃ-
জাকারিয়া হাসান এমরান
Admin
Pigeon Healthcare In BD
*******Thank You *******
0 মন্তব্যসমূহ
Thanks for Commenting! please follow our blog and see update continue